নেতিবাচক সংবাদের ভিড়ে যেন ইতিবাচক সংবাদ হারিয়ে না যায়: ডা: দীপু মনি

মেঘনা বার্তা রিপোর্ট ॥

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ২০২৩ সালের কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ১৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার ক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি।

অভিষেক অনুষ্ঠানের আকর্ষণীয় পর্ব ছিলো সংবর্ধনা । অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেসেক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সংবর্ধনা পর্বের আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। একই সাথে সংবর্ধিত হন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এনএম খান মুরাদ। বিশেষ সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন , হাজীগঞ্জের কৃতি সন্তান সিআইপি জয়নাল আরেদিন মজুমদার ।

সন্ধ্যায় উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আমন্ত্রিত অতিথি, সাংবাদিক ও সুধীজনদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।
জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অভিষেক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা শেষে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এর আগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের মধ্য দিয়ে অভিষিক্ত হন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ২০২৩ সালের কার্যকরী কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরান শোভনসহ ৩৯ নেতৃবৃন্দ। আমন্ত্রিত অতিথি আর জেলা পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ তাদের পরিবার-পরিজনদের ব্যাপক উপস্থিতিতে অভিষেক অনুষ্ঠান মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। এ সময় সকলের মাঝেই উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বলেন, আমি সাংবাদিক পরিবারেরই সন্তান। আমার বাবা ছিলেন একজন সাংবাদিক। বর্তমানে কর্মরত অনেক সাংবাদিক রয়েছেন যাঁদের হাতেখড়ি হয়েছে আমার বাবার হাত ধরে। চাঁদপুরে কর্মরত অনেক সাংবাদিকের সাথে রয়েছে আমার আত্মিক সম্পর্ক।

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলতে হবে। সকাল বেলা খবরের পাতায় চোখ বুলালে দেখা যায় নেতিবাচক সংবাদে পরিপূর্ণ সংবাদপত্রগুলো। তাতে হয় কী-নেতিবাচকতা দিয়েই দিনটা শুরু হয়। অথচ প্রকাশের মতো ইতিবাচক কোনো সংবাদ কি নেই? নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে যাতে ইতিবাচক সংবাদগুলো হারিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ইতিবাচকতা দিয়ে যেনো আমাদের দিনটা শুরু হয়। আমরা সত্য প্রকাশের পক্ষে। তাই বলে মিথ্যাকে প্রচার করতে গিয়ে সত্যকে যেনো পাশ কাটিয়ে যেতে না হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি। বর্তমানে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, আমাদেরকে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণেও সফল হতে হবে।

ডাঃ দীপু মনি এমপি সুন্দর ও প্রাণোজ্জ্বল আয়োজনের জন্যে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে সংবাদপত্র একটি শেখার বিষয়। তাই পত্রিকায় ভুল-ত্রুটি যাতে কম হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তিনি নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে বলেন, নতুন শিক্ষাপদ্ধতি আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো। পূর্বে আমাদের শিক্ষাক্রম ছিলো মুখস্থনির্ভর। নতুন শিক্ষাক্রমে এখন আর সে ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে করে করে শিখা, সেই পরিবর্তনই আনা হয়েছে। জ্ঞান আর দক্ষতা থাকলেই হবে না, প্রকৃত মানুষ হওয়ার মানবিকতা থাকতে হবে।

সরকারের বিরুদ্ধে মহল বিশেষের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ যাবতকালে ইসলাম সম্পর্কিত যতো কাজ হয়েছে তা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই হয়েছে। ইসলাম আমাকে সৎ মানুষ হতে বলেছে, বলা হয়েছে নীতি-নৈতিকথার কথা। বলা হয়েছে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। আমরা যদি তা না করে শুধু সূরা, কোরআন মুখস্থ করি, তাহলে এটা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হলো না। ইসলাম আমাকে মানবিকতা শিখিয়েছে, মানবিক মানুষ হতে শিখিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে একটা মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে। তারা সরকারের বিরুদ্ধে নতুন নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। তারা বুঝতে পেরেছে পরিবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। তারা তখন দেশের জন্যে, দেশের মানুষের জন্যে কাজ করবে। তাদের দিয়ে আর মিথ্যা বলানো যাবে না, তাদেরকে দিয়ে পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন দেখা যাবে না, তাদের ষড়যন্ত্র ব্যাহত হবে। সে জন্যে তারা নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার করছে।

তিনি বলেন, যারা দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে। নৌকাকে ভোট দেয়া এখন দেশপ্রেমের অংশ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের পর পর দু’বারের নির্বাচিত সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন অভিষেক অনুষ্ঠানের এমন বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্যে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সারাদেশের সাংবাদিকতায় চাঁদপুরের একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। সাংবাদিকতার ইতিহাসে চাঁদপুরের বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। চাঁদপুরের সাংবাদিকরা যে অবদান রেখে চলছেন বা পূর্বসূরিরা রেখে গেছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের ঐক্যে এবং আস্থার প্রতীক হিসেবে অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই সংবাদমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখা অনিবার্য। আমাদের সংবিধানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত হলো সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। তবে এ স্বাধীনতার সাথে জড়িয়ে আছে দায়িত্বশীলতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মানে এ নয়, যা ইচ্ছে তা করা যাবে। দায়িত্ব নিয়েই কাজ করতে হবে। একজন সাংবাদিক সবসময় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করবেন এটাই প্রত্যাশা। সাংবাদিকতা এমন এক পেশা যা হলো মানুষের জন্যে, সমাজের জন্যে কাজ করা। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশকে গড়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে লক্ষ্যেই কাজ করছেন। আজ আমাদের ভাবতে হবে দেশ কোথায় ছিলো আর বর্তমানে কোথায় এসেছে। বর্তমানে দেশের যে উন্নয়ন, তা কার নেতৃত্বে হয়েছে তা এখন ভাবার সময় হয়েছে। যে লক্ষ্য নিয়ে পূর্বপুরুষদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে তা যদি আমরা মনে রাখতে পারি, তাহলে আমরা আর লক্ষ্যচ্যুত হবো না। আমরা সঠিক পথেই এগিয়ে যাব। আর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারবো।

তিনি নারীদের এগিয়ে যাবার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি অনুকরণীয় হতে পারে উল্লেখ করে বলেন, আজ একজন নারীর নেতৃত্বে দেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আর একজন নারীর নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে কীভাবে আমূল পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে তা অবশ্যই বিস্ময়। তিনি সারাদেশের প্রেসক্লাবকে নিয়ে একত্রে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি শ্যামল দত্ত বলেন, মফস্বল সাংবাদিকতার এক ঊর্বর ভূমি চাঁদপুর। আমাদের কাছে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের অত্যন্ত গুরুত্ব রয়েছে। আমরা নির্বাচিত হয়ে প্রথমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে যাই, আর পরের দিনই চাঁদপুর প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে ছুটে আসি। জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচিত হয়ে প্রথমেই সংবর্ধনা নিলাম চাঁদপুরে, যা আমাদের স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি কর্মরত সাংবাদিকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বেন। আর আমরা স্মার্ট প্রেসক্লাব চাই, চাই স্মার্ট সাংবাদিকতা। তিনি অবাক হয়ে বলেন, বিভিন্ন কারণে যেখানে সংবাদপত্র মুখ থুবড়ে পড়ছে বা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেখানে চাঁদপুরের গণমাধ্যম সক্রিয় রয়েছে। যেখান থেকে ২১টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ হচ্ছে, যা সত্যিই বিস্ময়।
তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, নির্বাচনে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে বিজয়ী হতে হবে। অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ চাইলে মুক্তিযুদ্ধের মার্কা নৌকার বিজয় ঘটাতে হবে। তিনি জাতিগঠনে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আরো বলেন, গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে আমি ভালো কাজের প্রশংসা করবো আর খারাপ কাজের সমালোচনা করবো এটাই হলো আমার নীতি-নৈতিকতা। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, নীতিহীন রাজনীতি দেশ ও জাতিকে কিছুই দিতে পারে না, আর নীতিহীন সাংবাদিকতাও দেশকে কিছুই দিতে পারে না। তাই সাংবাদিকদেরও একটি নীতি ও আদর্শ নিয়ে চলতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও একজন গণমাধ্যম কর্মী। আমাদেরকে নীতি ও আদর্শের মধ্য থেকেই কাজ করতে হবে। তিনি চাঁদপুরের আদর্শগত সাংবাদিকতারও প্রশংসা করেন।

অভিষেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ, বিপিএম (বার), জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।

প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহের সভাপ্রধানে ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরান শোভনের যৌথ পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইউছুফ গাজী, সহ-সভাপতি ডাঃ জেআর ওয়াদুদ টিপু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত, বিদায়ী সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মিলন, সিনিয়র সদস্য দেলোয়ার আহমেদ, সাবেক সভাপতি জালাল চৌধুরী, শহীদ পাটোয়ারী, শরীফ চৌধুরী, বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সৈয়দা বদরুননাহার চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ সাহাদাৎ হোসেন, আড়াইশ’ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ একেএম মাহাবুবুর রহমান, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসুদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, আল-আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মোশারেফ হোসেন, জেলা জজকোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডঃ রণজিত কুমার রায় চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

অভিষেক অনুষ্ঠানে দেশের রপ্তানি খাতে ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় প্রধান অতিথি ডাঃ দীপু মনির হাত থেকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন জয়নাল আবেদীন মজুমদার সিআইপি। আর সংবর্ধিত অতিথি এন.এম. খান মুরাদের পক্ষে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন তাঁর ছোট ভাই সাংবাদিক আলম পলাশ।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম শহীদ উল্লাহ মাস্টারের স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি। অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত পূর্বাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে চাঁদপুর-লাকসাম রূটে নতুন করে একজোড়া ট্রেন চালুর দাবি জানান প্রধান অতিথির কাছে। আর নবনির্বাচিত সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহ সভাপ্রধানের বক্তব্যে সংবাদপত্রের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, সংবাদপত্র ও মিডিয়া বাঁচিয়ে রাখা বর্তমানে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ডিএফপির কাছে আমরা বিজ্ঞাপন বিল বাবদ বহু টাকা বকেয়া পাওনা থাকলেও তা সময়মতো পরিশোধ করা হচ্ছে না। তিনি তা পরিশোধে জাতীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ প্রধান অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জেলা পর্যায়ের প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিদের যাতে জাতীয় প্রেসক্লাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায় সে ব্যাপারে জাতীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। তিনি অনুমোদনহীন অনলাইন মিডিয়া বন্ধে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শেয়ার করুন: