অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের বিয়ে মেনে না নেওয়াতে বাবার বিরুদ্ধে পোড়ানোর অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :

মেয়ের জামাইকে মেনে না নেওয়াতে ষড়যন্ত্রের পথ বেচে নিলেন কথিত মেয়ে ও জামাই । বিয়ে মেনে না নেওয়ার কারণে নানান হুমকী দিয়ে আসছে আব্দস সাত্তার। তারই ফলশ্রুতিতে নিজের ঘরে আগুণ লাগিয়ে মেয়েকে দিয়ে বাবাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে আব্দুস সাত্তার।

ঘটনার বিবরণে জানাযায়,২০১৫ সালে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের মেহেদী হাছান মঞ্জুর অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে তাসলিমা আক্তার মিমিকে পাশের গাজী বাড়ির মৃত খোরশেদ আলম গাজীর ছেলে আব্দুস ছাত্তার ফুসলিয়ে-পটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে বাগিয়ে নিয়ে যায়। অতঃপর তাকে বিয়ে করে। কিন্তু মেয়ের বাবা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি কারণ মেয়ে ছিলো অপ্রাপ্ত বয়স্ক। তাই বাবা বাদী হয়ে ৪.১০.২০১৫ খ্রীস্টাব্দে নারী ও শিশু নির্যাতন ধমন আইন ২০০০/সংশোধনী ২০০৩ এর ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে।

অভিযোগকারী মেয়ের বাবা মেহেদী হাছান বলেন, আব্দুস ছাত্তার আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকী ধমকী দেয়। ১০.১১.২০১৬ খ্রীস্টাবে সকাল দশটায় আমার বাড়ির সামনে রাস্তার উপরে অকর্থ্য ভাষায় গালমন্দ করে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বলে। এসময় আমাকে হুমকী দিয়ে বলে, যদি মামলা তুলে না নেই তাহলে আমার ছেলে জাহিদকে অপরহরণ করবে।

এছাড়া ১নং বিবাদী আব্দুল ছাত্তার গাজীর ভাঙ্গা টিনের ঘর পোড়া দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করবে। আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে খুন করে লাশ গুম করে পেলবে। এমন পরিস্থিতি ফরিদগঞ্জ থানায় আমি সাধারণ ডায়েরী করতে বাধ্য হলাম। ফরিদগঞ্জ থানায় জিডি নং ৫৫৭, তারিখ ১৩/১১/২০১৬। আদালতে করা মামলাটি এখন চলমান রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে নাটককে মঞ্চস্থ করতে সম্প্রতি সেই ভাঙ্গা টিনের পরিত্যক্ত ঘরটিতে তারা নিজেরাই আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এবং তার দোষ আমাদের উপর চাপানোর পায়তারা করছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। সে প্রেক্ষিতে পুলিশ ব্যাপক তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

এ বিষয়ে মেয়ের জামাই আব্দুস ছাত্তারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে ও তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় উক্ত মামলার তদন্তকর্মকর্তা এ.এস.আই হাছিবের সাথে কথা বললে তিনি জানান, তদন্ত কাজ চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Recommended For You

About the Author: News Room

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *