কুমিল্লা সেনানিবাসে বর্নাঢ্য আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লা সেনানিবাসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত করা হয়েছে। রোববার বিকালে কুমিল্লা সেনানিবাসের এম.আর চৌধুরী প্রাঙ্গন মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন।

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবিএম তাজুল ইসলাম এমপি, আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি, আঞ্জুম সুলতানা সীমা এমপি, রওশন আরা মান্নান এমপি, নাছিমুল আলম চৌধুরী এমপি, নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান এমপি, এরোমা দত্ত এমপি, কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি ড. এমরান কবির চৌধুরী, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মো. ওমর ফারুক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মাসুদ পারভেজ খান ইমরারসহ বিভিন্ন সামরিক-অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হারুন তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা অঞ্চলের জনগণের অসীম সাহসিকতা, আত্মত্যাগ, সহযোগিতা, বীরত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওচমান পাটওয়ারী, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক জেলা মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার এমএ ওয়াদুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা, সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসীন পাঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী মাষ্টার ও ১ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী জেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারবৃন্দ ও শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিণ্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। বিকাল ৪টার দিকে অতিথিদের অংশগ্রহণে কেক কাটা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যগণের হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন: