চাঁদপুরেও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গরমে চাহিদা বেড়েছে রসালো ফল তরমুজের। একদিকে তাপদাহ এবং অন্যদিকে মাহে রমজান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু তরমুজ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। তারা তরমুজ আবাদকারী এলাকা থেকে শুরু করে সরবরাহকারী আড়ৎগুলোতে সিন্ডিকেট যুক্ত রেখেছে। ধারাবাহিক সিন্ডিকেটের কারণে ১শ’ টাকার তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকায়। চাঁদপুর জেলায় সরবরাহ থাকলেও কোনভাবেই দাম কমছে না। যার কারণে অতিরিক্ত মূল্য দিয়েই ক্রয় করতে হচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে চাঁদপুর শহরের চৌধুরীঘাট,কালীবাড়ী কোর্ট স্টেশন এলাকা,বাসস্ট্যান্ড,ওয়ারলেছ ও বাবুরহাট এলাকায় দেখাগেছে তরমুজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

হুমায়ুন কবির নামে শহরের এক বাসিন্দা তার ব্যাক্তিগত ফেসবুকে লিখেছেন চাঁদপুরে ১শ’ টাকার তরমুজ ৫শ’ টাকা বিক্রি হয়। ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টরা কি কোন দায়িত্ব পালন করবেন না।

শহরের বাসস্ট্যান্ড পরপর ৩টি দোকানে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা মূল্যের তরজমু এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। ৭০ থেকে ৮০ টাকা মূল্যের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা। বড় সাইজের তরমুজ ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার একজন ব্যবসায়ী জানান, দক্ষিণাঞ্চলের তমুজের আড়তে নাকে দাম বেশী রাখে। তিনি বলেন, তরমুজ আছে কিন্তু সারা দেশেই চাহিদা বেশী। যার কারণে দাম বেশী রাখতে হয়।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, কেজিতে ক্রয় করলে ৮০টাকা কেজি। পিস কিনলে ৬শ’ টাকা। পাশাপাশি আরেক ব্যবসায়ী সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে বলেন আমি কেজিতে বিক্রি করিনা।

এদিকে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত সংবাদে দেখাগেছে দেশের বিভিন্ন জেলায় তরমুজ অতিরিক্ত মূল্য ও কেজি দরে বিক্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তভোগী ক্রেতাদের দাবী চাঁদপুরেও যেন তরমুজ ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *