চাঁদপুরে সাড়ে ৪ হাজার কৃষক পেলেন বীজ ও সার

মেঘনাবার্তা ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাঁদপুর জেলার সাড়ে ৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সাড়ে ২২ টন বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

আউশ মৌসুমে প্রণোদনা হিসেবে এসব কৃষিসামগ্রী বিতরণের ফলে ফসল উৎপাদনের আওতায় জেলায় প্রায় ১০ হাজার ৬৮৭ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদ সম্ভব হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২ দফায় প্রত্যেক কৃষককে পাঁচ কেজি আউশ বীজ, ২০ কেজি (ডিএপি) সার ও ২০ কেজি (এমওপি) সার বিতরণ করা হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের প্রণোদনা হিসেবে জেলায় ৪ হাজার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাজীগঞ্জ ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় আউশ উৎপাদন হয় না।

তাই এই ২ উপজেলা বরাদ্ধ দেয়া হয় না। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৩০০, কচুয়ায় ১ হাজার ৮০০, ফরিদগঞ্জে ২৫০, মতলব উত্তরে ১২০০, শাহরাস্তিতে ৬০০ এবং হাইমচরে ৩৫০ জন কৃষকের মধ্যে এই প্রণোদনা দেয়া হয়েছে।

এ বছর জেলায় মোট ১০ হাজার ৬৮৭ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৫ হেক্টর স্থানীয় জাতের ও ১০ হাজার ২৪২ হেক্টর উফশী জাতের এবং ১৫০ হেক্টর হাইব্রিড জাতের আউশ আবাদের প্রস্তুতি চলছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁদপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবদুর রশীদ জানান, আউশ বৃষ্টি নির্ভর ফসল। তবে চাঁদপুরে এই বৃষ্টি আউশ আবাদে কোন ক্ষতি হওয়ায় সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এই অঞ্চলের কৃষক সাধারণত আউশ আবাদে কম আগ্রহী।

তাই আউশ আবাদে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে ও খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে দুটি ধাপে ১ম পর্যায়ে সাড়ে ৩ হাজার কৃষককে ২৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বীজ এবং ২য় পর্যায়ে আরো ১ হাজার কৃষককে মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *