চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল করেলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউসুফ গাজী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ গাজী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের নিকট তিনি এ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র জমার সময় প্রার্থীর সাথে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি ডাঃ জেআর ওয়াদুদ টিপু, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জ্বল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া,সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান নুরুল ইসলাম দেওয়ান নাজিম, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারমান আইয়ুব আলী বেপারী , শিক্ষামন্ত্রীর স্থানীয় প্রতিনিধি এ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন বাবু প্রমুখ।

উল্লেখ্য , প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ইউছুফ গাজীর রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। তিনি ১৯৭৪ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ হতে বিএ পাশ করার আগে থেকেই তৎকালীন মহকুমা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। যেখানে তিনি ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত একটানা তিনি চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন চাঁদপুর-৪ নির্বাচনী এলাকা হতে ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে যাচ্ছেন।

মোঃ ইউছুফ গাজী শুধু রাজনৈতিক নেতাই নন। তিনি একাধিকবার জনপ্রতিনিধিও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ সাল হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি একাধিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। আওয়ামী লীগের এই জনপ্রিয় নেতা মোঃ ইউছুফ গাজী ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত আঃ মালেক গাজী এবং মাতা মৃত মিসেস বদরুন্নেছাও সমাজে গুণিজন হিসেবে পরিচিত।

শেয়ার করুন: