ডাকাতিয়া পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মিত হলে দর্শনীয় স্থানে পরিণত হবে

চাঁদপুরের শাহরাস্তি ছিখটিয়া ব্রিজ হতে সূচীপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত ডাকাতিয়া নদীর উত্তর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর অব.রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।

এ ডাকাতিয়ার উপরে আমি তথা আওয়ামী লীগ সরকার ৯টি ব্রিজ করে দিয়েছি। নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে এ ডাকাতিয়া নদীকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়েছি। প্রতিবছর সরকার ২ হাজার কোটি টাকা খননকৃত কাজে ব্যয় হচ্ছে। ওয়াকওয়ের নির্মাণ আজ থেকে শত বছর পরের প্রজন্ম পর্যন্ত মনে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

নদীর তীরবর্তী মানুষ যেন নদীর পানিকে কোন ভাবে দূষণ করতে না পারে সে দিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে। আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যিনি এ প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে।

এ প্রকল্পে প্রায় ১৩ একর জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ কোটি টাকা। ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ হলে দূর দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসবে। এ উপজেলার সুনাম ও পরিচিতি চাঁদপুর তথা দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়বে। ১০ ফিট ছড়া, ৩০ ফিট প্রস্ত, বিশাল পরিসরে এ ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।

৪ ডিসেম্বর শনিবার সকালে শাহরাস্তি পৌরসভারর সূচীপাড়া ব্রিজ ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে আয়োজিত সভায় শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডোর গোলাম সাদেক, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম চৌধুরী, শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাছরিন জাহান চৌধুরী শেফালী,শাহরাস্তি পৌর সভার মেয়র আ.লতিফ মিয়া,চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আতিকুজ্জামান চৌধুরী, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোবারক হোসেন সরকার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.মান্নান।

শেয়ার করুন: