প্রসব পরবর্তী সচেতন না হলে ফের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে : সিভিল সার্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহে প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা সেবা জোরদারকরণের লক্ষ্যে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ এপ্রিল সোমবার সকালে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের (২য় তলায়) এলিট চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা অধিপদপ্তরের উদ্যোগে এবং জাপাইগো (Jhpiego) -এর অর্থিক ও কারিগরি সহযোগীতায় আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সাহাদাৎ হোসেন।

তিনি বলেন, দেশে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে অনেক প্রসব সেবা এমআর এবং গর্ভপাত সেবা প্রদান করা হয়। সেখানে গর্ভপাত পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা এবং সাধারণ পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। এতে করে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধ মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসেও সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, প্রসব পরবর্তী সচেতন না হলে একজন মা ৮-৯ মাসের মধ্যে ফের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের জন্য মা এবং নবজাতক শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি যেমন থাকে, তেমনি একসাথে দু’জন শিশুকে লালনপালন করতে গিয়ে ওই মাকেও বেগ পোহাতে হয়। তাই এই বিষয়টি আমাদের গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে।

চাঁদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ ইলিয়াছের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় রিসোর্সপার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাজেদা পলিন, চাঁদপুর প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশের সমিতির সভাপতি ডাঃ মোঃ সহিদ উল্লাহ, জেলা বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ মোঃ নুরুল হুদা, চাঁদপুর প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলাম, চাঁদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ডিস্ট্রিক কনসালটেন্ট ডাঃ নাসির আহমেদ।

সভার শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং প্রজেক্টের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে চাঁদপুর জেলার তথ্য উপস্থাপন করেন চাঁদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক, একেএম আমিনুল ইসলাম। এছাড়াও জাপাইগোর কার্যক্রম সমন্ধে আলোচনা করেন জেলা ম্যানেজার রজতাংশু সাহা, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জাপাইগোর টেকনিক্যাল অফিসার ডাঃ মোঃ আরমান চৌধুরী।

এ সময় চাঁদপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, জাপাইগো ও প্রাইভেট হাসপাতালের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রাইভেট হাসপাতালের প্রতিনিধিগণ উক্ত কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে সার্বিক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন: