ফরিদগঞ্জে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে

জসিম উদ্দিন,ফরিদগঞ্জ ॥

ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিভিন্ন বাজার কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। গেল কয়েকদিন ধরেই ফরিদগঞ্জ উপজেলার বৃহত্তম ফরিদগঞ্জ বাজারের কুরবানির পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু,মহিষ,ছাগল আসতে শুরু করে।একই চিত্র উপজেলার রুপসা গরুর বাজারে মাঠের। প্রতিদিনই কুরবানি পশুর কেনাবেচায় ব্যস্ত ক্রেতা ও বিক্রেতারা

রুপসা বাজারে বৃহত্তম কুরবানির পশুর হাট বসে রুপসা আহম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে। ৬জুলাই বুধবার দুপুরের পরই কোরবানির পশু দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় হাট। হাটে বড়, মাঝারি ও ছোট সাইজের প্রচুর গরু উঠলেও দাম চড়া থাকায় অনেক ক্রেতা ফিরে এসেছেন।

জানাযায়,ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকায় অব¯ি’ত ফরিদগঞ্জ পৌর সভা ওয়াবদা মাঠে বসা কুরবানির পশুর হাটটি উপজেলার বৃহত্তম হাট হিসেবে পরিচিত। ঈদ উপলক্ষে সপ্তাহে রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাটবারে গবাদিপশু কেনাবেচা হয়ে থাকে। তবে কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রায় প্রতিদিনই হাটে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া কেনাবেচা চলছে।

অপরদিকে একই উপজেলার নারকেলতলা বাজার বাজার সংলগ্ন মাঠে বুধবার বিকালে হাটে গিয়ে দেখা গেছে, প্রচুর কুরবানির পশুর আমদানি হয়েছে। মোটামুটি কেনাবেচা হয়েছে বলে, ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে হাটে দেশীয় মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি ছিল। তাই এ জাতের গরুর দাম তুলনামূলক বেশি ছিল। হাটে সবচেয়ে বড় গরুর দাম হাঁকা হয়েছিল ৩ লাখ টাকা। এছাড়াও হাটে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেশি- বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির উন্নতমানের ছাগল।

রুপসা বাজারে কথা হয় গরুর পাইকার টিটু পাটওয়ারীর সাথে। তিনি অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি বড় ষাড়ের দাম হেঁকেছেন, সাড়ে ৩ লাখ টাকা। ক্রেতারা দাম করেছেন, ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া বাজার,কালিবাজার বাজর ও নয়ারহাট, বাজারসহ ফরিদগঞ্জ, সর্বত্র জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাটগুলো।দাম চড়া হওয়ায় কেনাবেচা কিছুটা কম বলে জানান ইজারাদাররা।

উপজেলার ভাটিরগাঁও গ্রামের মাসুদ জানান, তারা কুরবানির জন্য দেশি জাতের মাঝারি গরু কিনতে এসেছেন। কিš‘ বড় গরুর তুলনায় এ ধরনের গরুর দাম বেশি। তাই তার মতো অনেক ক্রেতাই ফিরে যা”েছন। আগামী দিন উপজেলার অন্য কোনো হাটে যাবেন।
এদিকে হাটের ইজারাদার জানিয়েছেন, হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যব¯’া গ্রহণ করা হয়েছে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা যাতে প্রতারিত না হন সে জন্য মাইকে প্রচারণা চালানো হয়।

অপরদিকে হাটগুলোতে দেখা মিলছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যব¯হা।পাশাপাশি উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা ও সেবাদানে ছুটে চলছেন এক বাজার থেকে আরেক বাজারে।এছাড়া ও বিভিন্ন হাটগুলোতে বসানো হয়েছে জাল টাকা সনাক্তকারী মেশিন।অনেকটা উৎসবের আনন্দে ক্রেতা- বিক্রেতারা দরকষাকষি করছেন।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published.