ফরিদগঞ্জে নিহত যুবদল নেতা পরিবারের পাশে এম এ হান্নান

ফরিদগঞ্জ প্রতিবেদক:

ফরিদগঞ্জে ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে নিহত যুবদল নেতা বাবুল মিয়ার পরিবারের জন্য উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব এম এ হান্নান এর সার্বিক সহযোগীতায় ঘর নির্মাণ ও বাবুলের বড় ছেলের মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকুরির নিয়োগ পত্র হস্তান্তর উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ মার্চ শুক্রবার বিকেলে রূপসা উত্তর ইউনিয়নের মালের ভাংতি (ভূঁইয়া বাড়ি) নিহত বাবুলের বাড়িতে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও পৌর বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান পাটওয়ারীর পরিচালনায়, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিল্পপতি,সমাজ সেবক ও উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব এম এ হান্নান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শরীফ মোহাম্মদ ইউনুস,সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান দুলাল,সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আমানত হোসেন গাজী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর খসরু মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক পাটওয়ারী,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মহসিন মোল্লা, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু,সদস্য সচিব আব্দুল মতিন,পৌর যুবদলের আহবায়ক মো. ইমাম হোসেন পাটওয়ারী, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহাবুদ্দিন ইমন,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাছান মঞ্জু প্রমূখ।

এ সময় প্রধান অতিথি আলহাজ্ব এম এ হান্নান ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত তিন যুবদল কর্মী জাহাঙ্গীর, আরিফ ও বাবুলের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

তিনি বলেন, কোন দোষ না করেও একজন মীরজাফরের কারণে দল থেকে প্রায় ১০ বছর বহিষ্কার ছিলাম, সামর্থ্য জনপ্রিয়তা এবং অর্থের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ থাকলেও বিকল্প রাজনীতি এবং উপজেলায় দলের মধ্যে কোনরকম কোন্দল সৃষ্টি করি নাই। নিজের দিক থেকে বিভিন্ন ভাবে দলীয় অসহায় কর্মী বাহিনী ও সমর্থকদের সহযোগিতা করে গেছি। গত ১০ বছর দলের বাহিরে বহিষ্কার থেকে পরীক্ষার বিনিময়ে দল মনে করেছে আমাকে দিয়ে দলের কোন ক্ষতি হয় নাই।

তিনি আরো বলেন, দল আপনাকে কি দিল সেটা বড় কথা নয়, আপনি দলকে কি দিলে সেটাই বড় কথা। স্বার্থ বিহীন ভাবে দলের জন্য কাজ করুন, সুফল অবশ্যই পাবেন।

পরে তিনি নিহত যুবদল নেতা আরিফ হোসেনের কবর জেয়ারত করেন এবং নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *