বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

মনিরা আক্তার মনি :

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড.শামসুল আলম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের মুক্তির অগ্রদূত। নিপীড়িত মানুষের আশার আলো। সংগ্রামী জনতার প্রেরণার মিনার। বঙ্গবন্ধু আমাদের চিরন্তন প্রেরণার উৎস। তার নীতি ও আদর্শ ধারণ করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। আর তা করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

তিনি আরও বলেন,১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট এ বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কতোগুলো ক্ষমতালোভী বিপথগামী সেনা, কুচক্রী, ঘাতকের নির্মমতার শিকার হোন বঙ্গবন্ধু। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, হত্যা করেছিল জাতির স্বপ্নকে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন,বঙ্গবন্ধুই প্রথম নিপীড়িত বাঙালিকে উপহার দিয়েছেন একটি ভূখণ্ড, জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা। আমরা প্রত্যেকেই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করি এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করি, তবেই তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব। তাই সবাইকে অঙ্গীকার করতে হবে সোনার বাংলা গড়তে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার।

প্রতিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল।

ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান ফরাজী রতনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনজুর আহমদ, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম লস্কর, সহ-সভাপতি ও গজরা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লা প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, শরীফ উল্লাহ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আনিসুল হক, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য লায়ন আরিফ উল্যাহ সরকার, ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী কাজী মিজানুর রহমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন: