যারা দল মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করবেন তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করবেন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে যে কোনো নির্বাচনে যারা মনোনয়ন চান তাদের প্রত্যেককে একটা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়। অঙ্গীকারনামায় মনোনয়ন প্রত্যাশীর স্বাক্ষর থাকে। চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের থেকে সে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়েছে।

সে অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে- ‘‘আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় অঙ্গীকার করছি যে, প্রার্র্থী মনোনয়নে আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যে কোন সিদ্ধান্ত আমি হৃষ্টচিত্তে ও বিনা প্রতিবাদে মেনে নিব। প্রার্থীত মনোনয়ন না পেলে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়ে অত্র নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব এবং কোন অবস্থাতেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কোন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করব না।

উপরে বর্ণিত সকল তথ্য আমার জানামতে সম্পূর্ণ সত্য । এই অঙ্গীকারের কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটলে আমি তাৎক্ষণিকভাবে দল থেকে বহিষ্কৃত বিবেচিত হতে পারি’’।

এই অঙ্গীকারনামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ গাজী বলেন, আমরা যারা চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছি, তারা প্রত্যেকে অঙ্গীকারনামা দিয়েছি যে, মনোনয়ন বোর্ডের যে কোনো সিদ্ধান্ত আমি বিনা প্রতিবাদে মেনে নেবো। মনোনয়ন না পেলে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে মেনে নিয়ে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো এবং কোনো অবস্থাতেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেবো না।

ইউসুফ গাজী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এখন অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দায়িত্ব হচ্ছে তাঁর অঙ্গীকার রক্ষা করা। আমি অপর সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীর কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করবো যে, আপনারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল আস্থা রেখে তাঁর মনোনীত প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই নির্বাচনে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। আমরা সকলে এক ও অভিন্নভাবে একই পরিবারের সদস্য হিসেবে দল মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তার বিজয় সুনিশ্চিত করবো এটাই আমার আকুল আবেদন।

শেয়ার করুন: