সদর হাসপাতালের দালাল ঠেকাতে এপ্রোন গায়ে কর্মচারী

চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বেশ কয়েকবার অভিযানের পরেও তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। রোগীদের সাথে প্রতারণা করে তারা প্রতিদিন আর্থিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ উঠে।

এসব কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখন চিকিৎসা সেবা কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদেরকে দালালদের কাছ থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে এপ্রোণ দিয়েছেন। প্রতিদিন হাসপাতালে এপ্রোন পরে আসা বাধ্যতামূলক।

রবিবার (২৮ আগষ্ট) সকালে হাসপাতালে গিয়ে জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন চিকিৎসকের কক্ষে এপ্রোন পরা আউট সোর্সিং কর্মীদেরকে পাওয়া যায়।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে ৫৮জন কর্মচারি আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে কাজ করেন। এর মধ্যে সকাল ৮টা থেকে ৮ঘন্টা কাজ করেন ২৬জন। পরবর্তীতে ৮ ঘন্টা করে ১৬জন কর্মী দুই শিফটে কাজ করেন।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন, দালালের সমস্যা দীর্ঘদিনের। আমি ১১ মাস দায়িত্বে আছি। দালাল নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময়ে অভিযান হলেও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে আউট সোর্সিং এ কাজ করা কর্মচারীদের চিহ্নিত করতে এপ্রোনের ব্যবস্থা করি। গত এক সপ্তাহ এপ্রোন পরা চালু হয়েছে। কোন কর্মচারি এপ্রোন না পরে কাজে এসে অভিযানে আটক হলে আমাদের কোন সুপারিশ থাকবে না।

শেয়ার করুন: