সরকারকে বেকাদায় ফেলতে একটি গোষ্ঠী মরিয়া হয়ে উঠেছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

হাজীগঞ্জ প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গত ১৩ অক্টোবর মন্দিরে হামলা ও মৃত্যুর ঘটনায় এক আন্ত:ধর্মীয় সংলাপের আয়োজন করে প্রশাসন। ২৯ অক্টোবর শুক্রবার উপজেলা মিলনায়তন হল রুমে ধর্মীয় সংলাপে যোগদেন শিক্ষা মন্ত্রী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক বিমান ও পর্যটক মন্ত্রীসহ কয়েকজন সাংসদ।

এ সময় প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেন, ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, এ ধর্ম এমন কাউকে বলা হয়নি বাড়াবাড়ি করা। কিন্তু আমাদের দেশে যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে এরা কারা, তাদেরকে চিহ্নত করতে হবে। হাদিসে বলা আছে, কোন ধর্মের লোকদের উপর কেউ হামলা, ভাঙচুর দূরের কথা নির্গ্রস্ত করতে পারবে না। সেখানে যারা ধর্মের নামে এসব করছে এরাই পাকিস্তানের দোষোর। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু চেয়েছে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীন ভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। সেই লক্ষে পাকিস্তানের হাত থেকে রক্ষা করে দেশকে ছিনিয়ে এনেছেন। কিন্তু সেই কুলাঙ্গাররা সেই সময় ছিল আজও আছে। ইসলামে যা যা নেই তা বিএনপি জামায়াত প্রয়োগ করে আসছে।

তিনি বলেন, মূলত নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি অপশক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চক্রান্ত করছে।ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের রুখে দিতে হবে। কারন অশুভ শক্তির মানুষগুলো সংখ্যায় খুব বেশি নয়, কিন্তু তারা সংঘবদ্ধ। আমরা সংঘবদ্ধ নই। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের রুখে দিতে হবে। এ দেশ অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে আমরা সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে থাকব এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, সরকারকে বেকাদায় ফেলতে একটি গোষ্ঠী মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে কারনে তারা ধর্মকে ব্যবহার করে সু-কৌশলে অল্পবয়সের ছেলেদের লেলিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিশ্চিতি চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের এ প্রচেষ্টা কোনভাবে সফল হবে না।

আন্ত:ধর্মীয় সংলাপে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তারের সভাপতিত্বে, আরো বক্তব্যে রাখেন, সংসদ সদস্য ও সাবেক বিমান পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহাজান কামাল, সংসদ সদস্য শ্রী মনোরঞ্জন শীল গোপাল, সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার মিরা, অতিরিক্ত সচিব মো. মমিন হাসান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন ভৃঁইয়া, সাধারন সম্পাদক আবু নঈম দুলাল, হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মো. মাঈনুদ্দিন ও পৌর মেয়র মাহবুব-উল আলম লিপন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ২৮ টি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান ও দুটি পরিবারকে অনুদান প্রদান করা হয়।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *