স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী চাঁদপুরের ৫৯ পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমান (পিপিএম বার) বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা কখনও মারা যায় না এবং মারা যাবেও না। তাঁরা চাঁদপুরবাসীর মনের গভীরে সারা জিবন বেঁচে থাকবে। সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসে শুধু অনুভুতি শুনলেই হবে না, তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁদপুর পুলিশ লাইনস্ এর ড্রিলেশেডে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্টানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চাঁদপুরের জেলার পক্ষ গ্যাজেট পক্রিয়া সহজিকরণ শেল চালু করা হবে। এ শেলের প্রধান দায়িত্বে সেই-ই হবে, যার পরিবারের অন্তত একজন মুক্তিযোদ্ধা থাকবে। কারন ব্যাথা সে বুঝে যে সাপের কামড় খেয়েছে। আমি অন্তত একজনকে যদি গ্যাজেটভুক্ত করতে পারি তাহলে আল্লাহর কাছে জবাব দিতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে পারলেই অনুষ্ঠান স্বার্থক হবে। স্বাধীনতা অর্জনের থেকে স্বাধীনতা রক্সা করা অনেক কঠিন।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্টানে সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্নিগ্ধা সরকার।

আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী আব্দুর রহিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাজীগঞ্জ সার্কেল মোঃ আফজাল, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহ,

সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুভুতি প্রকাশ করেন, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহআলম বকাউল, অবসরপ্রাপ্ত এএসআই আমির হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত এএসআই মোঃ ইউসুফ আলী, অবসরপ্রাপ্ত এএসআই রুহুল আমিনের কন্যা রেবেকা সুলতানা, অবসরপ্রাপ্ত এএসআই সশস্ত্র আব্দুল মান্নান, অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল তোফাজ্জল হোসেন, মৃত এএসআই মোহন বাশির পুত্র অজিত দত্ত, মৃত পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মোতালেবের পুত্র মোঃ বাবুল, মৃত এএসআই শহিদুল্লার কন্যা ডলি বেগম, মৃত এএসআই আব্দুল বারেকের পুত্র জিয়াউর রহমান, মৃত কনস্টেবল শফিকুল ইসলামের স্ত্রী মিলন বেগম, মৃত কনস্টেবল আব্দুল করিমের পক্ষে শাহানাজ পারভিন, কনস্টেবল সেকান্দর আলীর পুত্র ফরহাদ আহমেদ, আব্দুল মোতালেব প্রমূখ।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্টানে ৫৯ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন পুলিশ লাইনস্ জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, পবিত্র গিতা পাঠ করেন প্বার্শনাথ দাস।

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *